সুনামগঞ্জে ফারুক হত্যাকান্ডের ৫ জনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ।
সুনামগঞ্জ সদর থানা পুলিশের অভিযানে ফারুক হত্যাকান্ডের সাথে জড়িত ৫ জন কে গ্রেফতার করাহয়।
বৃঃস্পতিবার সকালে নবীনগর পয়েন্টে কাজল মিয়ার ওয়ার্কশপের সামনে রাস্তার উপর অটোতে ধাক্কা লাগা নিয়ে সুনামগঞ্জ সদর থানাধীন বনানীপাড়া গ্রামের অটো ড্রাইভার নাজমুল মিয়া (২০) ও মাইজবাড়ি গ্রামের অটো ড্রাইভার নোমান মিয়ার (১৮) মধ্যে কথা কাটাকাটির একপর্যায়ে হাতাহাতির ঘটনা ঘটে।
পড়ুন>>রোকিয়া আফজাল শতাব্দীর সাহসী নারী ছিলেন : নতুনধারা
ঘটনাকে কেন্দ্রকরে অটো ড্রাইভার নাজমুল ১০-১২ জন অজ্ঞাতনামা সহোযগীসহ দেশীয় অস্ত্রশস্ত্র নিয়ে নবীনগর পয়েন্টস্থ তাজ উদ্দিনের হোটেলের সামনে অটো ড্রাইভার নোমান মিয়াকে আক্রমণ করে। তার বুকে ছুরি দিয়ে আঘাত করে রক্তাক্ত গুরুতর জখম করে।
ঐ সময় নবীনগর পয়েন্টের দোকান ব্যবসায়ী ফারুক মিয়া (৩২) ঘটনা দেখে এগিয়ে গিয়ে মারামারি থামানোর চেষ্টা করে। একপর্যায় এনামুলের চাকুর আঘাতে ফারুক মিয়া গুরুতর রক্তাক্ত জখম হন।
ঘটনা দেখে আশপাশের লোকজন এগিয়ে আসলে আসামীরা পালিয়ে যায়। আশপাশের লোকজন গুরুতর আহত অবস্হায় ফারুক ও নোমানকে উদ্ধার করে সদর হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত ডাক্তার ফারুককে মৃত ঘোষণা করেন।
পড়ুন>>২৪ ক্যারেটের সোনা দিয়ে মোড়ানো জিলাপি ইফতারের নতুন বিলাসিতা
গুরুতর আহত নোমানকে আশঙ্কাজনক অবস্থায় সিলেট এমএজি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে প্রেরণ করেন।
পুলিশ জানায় এসআই আনোয়ার হোসেন, এসআই শরিফ উদ্দিনসহ সুনামগঞ্জ সদর থানার একটি চৌকশ টিম ঘটনাস্থল ও আশপাশের এলাকায় অভিযান পরিচালনা করে ঘটনার সাথে জড়িত ৫ জন কে গ্রেফতার করা হয়।
গ্রেফতারকৃতরা এনামুল ইসলাম (২০), পিতা-মৃত আবু সাহীদ, সাং-চিনাকান্দি লক্ষীরপাড়, বিশ্বম্ভরপুর, রবিউল ইসলাম (২২), পিতা-আব্দুল জলিল, সাং-ধনপুর, থানা-বিশ্বম্ভরপুর, রুমন মিয়া (১৯), পিতা-আবুল ফজল, সাং-উলারভিটা, থানা-শান্তিগঞ্জ বর্তমান ঠিকানা বনানীপাড়া, হৃদয় (১৮), পিতা-হুছেন মিয়া, সাং-ষোলঘর, তারেক (১৯), পিতা-সাইফুদ্দিন, সাং-মাইজবাড়ী।
গ্রেফতার নিশ্চিত করে সদর মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ ইখতিয়ার উদ্দিন চৌধুরী জানান গ্রেফতারকৃত আসামীসহ পলাতক আসামীদের বিরুদ্ধে লিখিত অভিযোগের ভিত্তিতে মামলা রুজু পূর্বক পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
Leave a Reply